শিলিগুড়ি: রাজ্যের ১০৮ টি পুরসভার ভোটে হিংসার প্রতিবাদে ১২ঘন্টা বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি। এদিন সকাল থেকেই শিলিগুড়ি শহর জুড়ে স্বাভাবিক পরিস্থিতি থাকলেও বেলা বাড়তে উঠে এসেছে বিক্ষিপ্ত ঘটনার চিত্র। এদিনে বনধের সমর্থনে বিজেপির মিছিলে ও পথ অবরোধ ঘিরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল-বিজেপি।
নকশালবাড়ি ব্লক অন্তর্গত রানিডাঙ্গা গোসাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সামনে বিজেপি এবং তৃণমূল সংঘর্ষ জড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে বাগডোগরা থানার পুলিশ এসে দুজনকে আটক করে। বনধ সফল করার জন্য বিজেপি পথ অবরোধ করায় বিজেপি ও তৃণমূলের এই সংঘর্ষ বাঁধে বলে খবর।
অন্যদিকে বনধের সমর্থনে সকাল থেকেই বিজেপির পক্ষ থেকে প্রতিবাদ মিছিল এবং বিক্ষোভ চলছে শিলিগুড়ি শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়। এদিন বিজেপি নেতা-কর্মী সমর্থকরা শহরে মিছিল বের করে বনধের সমর্থনে। মিছিলে নেতৃত্ব দেন বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ ও আনন্দময় বর্মন। হাসমি চকে মিছিল এসে পৌঁছালে তা আটকে দেয় পুলিশ। এরপর সেখানেই বসে পড়ে বনধের সমর্থনে স্লোগান দিতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। এরপর পুলিশ এসে তাদের সেখান থেকে তুলতে গেলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে বচসা বাধে। একপ্রকার জোর করেই তাদের সেখান থেকে উঠিয়ে পুলিশ ভ্যানে তুলে দেওয়া হয়। দুই বিধায়ক ছাড়াও একাধিক বনধ সমর্থকে গ্ৰেফতার করা হয়।
এছাড়াও বনধের সমর্থনে বিক্ষোভ করায় বিজেপি যুব মোর্চার শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি কাঞ্চন দেবনাথ সহ ১৪ জন বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এদিন সকালে খড়িবাড়ি বাজারে কাঞ্চন দেবনাথের নেতৃত্বে বনধের সমর্থনে একটি মিছিল সংগঠিত হয়। পরবর্তীতে খড়িবাড়ী বিডিও অফিসের গেট বন্ধ করে বনধ সমর্থকরা অবস্থান করেন। কিছুক্ষন পর খড়িবাড়ী থানা থেকে পুলিশ পৌঁছে বনধ সমর্থকদের উঠে যেতে বললে তারা অবস্থানেই অনড় থাকেন। পরে পুলিশ সকলকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।
No comments:
Post a Comment