পঞ্চ মহাভূতে বিলীন হলেন কেকে, প্রিয় শিল্পীকে শেষ বিদায় জানাতে উপচে পড়ল ভিড় - press card news

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Thursday, 2 June 2022

পঞ্চ মহাভূতে বিলীন হলেন কেকে, প্রিয় শিল্পীকে শেষ বিদায় জানাতে উপচে পড়ল ভিড়


নিজের শত শত গান দিয়ে মানুষের হৃদয়ে জিতে নিয়েছিলেন, আজ পঞ্চ মহাভূতে বিলীন হয়ে গেলেন। কেকে (কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ), কলকাতায় নজরুল মঞ্চে অনুষ্ঠান চলাকালীন হঠাৎ অসুস্থ, খানিকক্ষণ পরেই সবটা শেষ। মঙ্গলবার রাতে সকলকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী। বৃহস্পতিবার মুম্বাইয়ের ভারসোভার শ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। তবে তাঁর হাজার হাজার ভক্তদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন তিনি। এই সময় তাকে স্মরণ করতে দেখা যায় বলিউডের অনেক তারকাকে।


এদিন কেকে-র মুখাগ্নি করেন তাঁর বাবা। এ সময় প্রিয় গায়ককে শেষবারের মতো দেখতে উপচে পড়ে ভিড়।  হাজার হাজার ভক্ত তাকে শেষ বিদায় জানাতে এসেছিলেন। 'কে কে অমর রাহে' স্লোগান দিতেও শোনা যায় তাঁর ভক্তদের। এছাড়াও, সঙ্গীত শিল্পের সমস্ত প্রবীণরাও কেকে-এর শেষকৃত্যে অংশ নিয়েছিলেন।  এসময় সকলেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।


প্রসঙ্গত, কলকাতার গুরুদাস কলেজের নজরুল মঞ্চে আয়োজিত কনসার্টে লাইভ পারফর্ম করছিলেন কেকে। এ সময় তিনি বেশ কয়েকবার গরমের অভিযোগও করেন। অস্বস্তি অনুভব করেন গরমে। বার বার রুমাল দিয়ে মুখ মুছতে দেখা যায় গায়ককে, এসি ঠিক ভাবে কাজ করছিল না, স্পট লাইট অফ করতে বলছিলেন। এক কথায় ভিড়ে ঠাসা মঞ্চে অস্বস্তি পুরোটাই কাবু করে নিয়েছিল শিল্পীকে। 


কনসার্ট শেষে কেকে তার হোটেলে পৌঁছালে তার স্বাস্থ্যের অবনতি হতে থাকে। বমি করেন, মাথা ঘুরে পড়ে গিয়ে আঘাত পান। তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু ততক্ষণে অনেকটাই দেরি হয়ে গেছে।  চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।  


তাঁর মৃত্যু নিয়ে নানান তত্ত্ব বেরিয়ে আসতে থাকে। কিন্তু পরে যখন ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসে, তখন স্পষ্ট হয় যে কেকে হৃদরোগে মারা গেছেন। এরপর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে গান স্যালুট দিয়ে বিদায় জানানো‌ হয় শিল্পীকে। এরপর কলকাতা থেকে কেকে-র মরদেহ মুম্বাইতে আনা হয়। এখানে গত কয়েক ঘন্টার ধরে শায়িত ছিল শিল্পীর নিথর দেহ। তাঁর সমস্ত ঘনিষ্ঠ আত্মীয়রা ও অন্যান্য অনেক বিশিষ্টরা শেষ বারের জন্য শিল্পীকে দেখতে আসেন। তারপরে তাঁকে ফুলে সজ্জিত একটি অ্যাম্বুলেন্সে শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানেই সম্পন্ন হয় দাহ কার্য। 


মাত্র ৫৩ বছর বয়সে খসে পড়ল এক উজ্জ্বল নক্ষত্র।  অন্ধকারের ঢাকা পড়ল সুরের আকাশ। 


No comments:

Post a Comment

Post Top Ad