প্রণব ভট্টাচার্য আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করেন, সাদা মার্সিডিজ এবং কালো অডি গত ৩-৪ মাস ধরে নিখোঁজ রয়েছে। তিনি বলেন, তার এই গাড়ি কোথায় গেছে, সে বিষয়ে তিনি অবগত নন।
যেদিন টালিগঞ্জে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ডায়মন্ড সিটির ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়, প্রণব এ বিষয়ে অবগত ছিলেন না। সেখানে পৌঁছে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাটে দুই দিন বসতে বাধ্য হন তিনি। ইডি প্রণব ভট্টাচার্যের মোবাইল বাজেয়াপ্ত করেছে এবং ফেরত দেয়নি। প্রণব ভট্টাচার্য দাবী করেছেন, অর্পিতা বিভিন্ন গাড়ির জন্য বিভিন্ন চালক ব্যবহার করতেন। প্রণব ভট্টাচার্য, কল্যাণ ধরকে চেনেন এবং বলেছেন যে, তিনি Eche Entertainment Pvt Ltd-এর অফিসিয়াল কাজ দেখাশোনা করতেন। উল্লেখ্য, ইডি আধিকারিকরা এই ইন্টারনেট সংস্থার অন্যতম পরিচালক কল্যাণ ধরকে খুঁজছেন।
তিনি বলেন, যখনই পার্থ বা অর্পিতা একে অপরের ফ্ল্যাটে যেতেন, তাঁদের সেখানে পৌঁছানোর পর তিনি ফিরে আসতেন, কারণ তাকে এমন নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। প্রণব আরও বলেন, অর্পিতার নামে আরও অনেক গাড়ি ছিল, কিন্তু তাকে হোন্ডা সিটি ছাড়া অন্য কোনও গাড়ি চালানোর অনুমতি দেওয়া হয়নি। পার্থ ও অর্পিতার বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ নথিপত্র, স্বর্ণমুদ্রা এবং অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। ইডি সূত্রে খবর, নথির কপি সম্প্রতি ভূমি রাজস্ব দফতর পেয়েছে। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, পার্থ-অর্পিতা ভূমি রাজস্ব দফতর ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে ‘তথ্য গোপন করেছিল।

No comments:
Post a Comment