পিতৃপক্ষে পূর্বপুরুষদের স্মরণ ও তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা হয়। আমাদের দাদু, ঠাকুরদাদা কে জীবিত অবস্থায় আমরা কতটা সেবা ও আনুগত্য করি সেটাই আসল গুরুত্ব।
তাদের মৃত্যুর পর শ্রাদ্ধ করলে তা নিষ্ফল বলে গণ্য হয়। অন্তরে যদি প্রায়শ্চিত্তের অনুভূতি থাকে, তাহলে অবশ্যই তাদের ক্রোধ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।
বাইরে গেলে বা অফিসে কোনও সিনিয়র অর্থাৎ বয়স্ক ব্যক্তি যদি আপনার অধস্তন হন, তাহলে তার প্রতিও শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখুন। বয়োজ্যেষ্ঠদের শ্রদ্ধা করলে পূর্বপুরুষদের আশীর্বাদ সর্বদাই প্রাপ্ত হয়।
শ্রাদ্ধ মানে শ্রদ্ধা, সম্পদ প্রদর্শন নয়:
শ্রাদ্ধ মীমাংসায় বর্ণিত আছে যে, যদি কোনো ব্যক্তির শ্রাদ্ধ করার মতো কিছু না থাকে, তাহলে কুশকে দুই হাতে তুলে দক্ষিণ দিকে মুখ করে আকাশের দিকে মুখ করে পূর্বপুরুষদের ধ্যান করা উচিৎ।
আসলে আমাদের কাছ থেকে টাকা-পয়সা বা অন্য কোনো জিনিস চান না। তাদের একটাই চাওয়া তাদের অপূর্ণ ইচ্ছে পূর্তি।
অনেকে পূর্ব পুরুষরা তাদের নামে স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মশালা, কূপ, নির্মাণ করে। এগুলো গড়ার সামর্থ্য না থাকলে দু-একজন দরিদ্র শিশুর লেখাপড়ার খরচও চালাতে পারেন।
আবার আপনি যদি পূর্বপুরুষদের অপূর্ণ ইচ্ছে সম্পর্কে অজ্ঞ হন, তবে সামাজিক কাজে অংশ নেওয়া উচিৎ। পূর্বপুরুষের নামে চারা রোপণ করেও পরিবেশ উন্নয়নে অবদান রাখা যায়।

No comments:
Post a Comment