আড়াই বছরের দুধের শিশুকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল সৎ বাবার বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, এরপর ঘরের মধ্যে একটি লোহার বাক্সে শিশুটির দেহ লুকিয়ে রাখে বলেও অভিযোগ। নৃশংস এই ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের শিবপুরীর কোতোয়ালি থানা এলাকার মানিয়ারে। অভিযুক্তর ঘরের একটি বাক্স থেকে দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এখানেই শেষ নয়, জানা গিয়েছে, যখন তিনি এই জঘন্য হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছিলেন, তখন শিশুটির মাকে অন্য ঘরে তালা দিয়ে রাখা হয়েছিল। ঘরে বসে চিৎকার করে ছেলের প্রাণ ভিক্ষা চাইতে থাকেন তিনি, কিন্তু এই নিষ্ঠুর বাবার কানে মায়ের কাতর আর্তি পৌঁছায়নি।
তথ্য মতে, অভিযুক্ত বাবার দুই স্ত্রী রয়েছে। দুই স্ত্রী একসাথেই থাকে। প্রথম স্ত্রী ১৫ বছর ধরে অভিযুক্তের সঙ্গে বসবাস করছেন। অপরদিকে, দেড় মাস আগে দ্বিতীয় স্ত্রীকে বিয়ে করে নিয়ে আসে অভিযুক্ত। দ্বিতীয় স্ত্রী তার প্রথম স্বামীকে ছেড়ে অভিযুক্তের সাথে বসবাস করতে এসেছিল। এই একটি আড়াই বছরের দুধের ছেলেও ছিল। যাকে এই সৎ বাবার হাতে নির্মমভাবে খুন হয়েছে।
শিশুটিকে মেরে তার দেহ বাক্সে লুকিয়ে রাখে অভিযুক্ত। তার পরিকল্পনা ছিল রাত নামলেই সে শিশুটির দেহ ফেলে দেবে। কিন্তু পরদিন রাতের আগেই বাড়িতে হওয়া ঝগড়ার খবর ও স্ত্রীদের চাওয়া সাহায্যের ভিত্তিতে প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দেয়। এরপরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। এদিকে পুলিশ আসার খবর পেয়ে অভিযুক্ত বাবা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পুলিশ বাক্স থেকে শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। আর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
পোস্টমর্টেম হাউসে উপস্থিত স্ত্রী পুলিশকে জানান, তার স্বামীকে তার দুই বন্ধু বলেছিল, এই শিশু বড় হয়ে তোমাকে খুন করবে। একথা শুনেই সে ছেলেটিকে মেরে ফেলে।

No comments:
Post a Comment