দলীয় কার্যালয় খোলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, সিপিএম-তৃণমল মারামারি - press card news

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, 1 May 2023

দলীয় কার্যালয় খোলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, সিপিএম-তৃণমল মারামারি



দলীয় কার্যালয় খোলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, সিপিএম-তৃণমল মারামারি 



নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা, ০১ মে: মে দিবসের সকালে বন্ধ দলীয় কার্যালয় খোলা নিয়ে উত্তেজনা কলকাতার কাশীপুরে। সিপিএম দাবী করেছে যে, এই পার্টি অফিস তাদের, অন্যদিকে তৃণমূলের দাবী এটি তাদের পার্টি অফিস। অভিযোগ, সোমবার সিপিআই(এম) নেতৃত্ব ওই এলাকায় বন্ধ অফিস খুলতে গেলে তাঁদের বাধা দেওয়া হয়। সিপিআই(এম) নেতারা এই বাধার জন্য শান্তনু সেনের লোকদের দায়ী করেছেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে সিঁথি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।


উল্লেখ্য, কাশিপুর বেলগাছিয়া ৩ নম্বর সিপিআইএম এর এলাকা কমিটির কার্যালয়। আজ একই অফিস খোলা নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। পরে সিঁথি থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।



সিপিআই(এম) দাবী করেছে যে, তাদের কাশিপুর বেলগাছিয়া ৩ নং এরিয়া কমিটির অফিস দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ ছিল। সোমবার, মে দিবস উপলক্ষে, সিপিএম সেখানে একটি সমাবেশ করে এবং অফিস খোলার সিদ্ধান্ত নেয়। দলের নেতা, কর্মী-সমর্থকরাও পৌঁছান। বহিষ্কৃত নেতা দুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়কেও সেখানে দেখা যায়। 


সিপিএমের অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল নেতা ও রাজ্যসভার সাংসদ শান্তনু সেনের সমর্থকরা সেখানে এসে তাদের বাধা দেয়। যে কারণে তারা অফিস খুলতে পারেনি। যদিও তৃণমূলের দাবী, সিপিএমের লোকেরা পার্টি অফিস খুলে হিংসা ছড়াবে, তাই সাধারণ মানুষ পার্টি অফিস খোলা বন্ধ করে দিয়েছে।


এই প্রসঙ্গে তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন বলেন, “আমি যে ওয়ার্ডে থাকি, যে ওয়ার্ডে আমি কাউন্সিলর ছিলাম সেখানে এই ঘটনা ঘটেছে। দুলাল বন্দ্যোপাধ্যায় নামে এক সিপিএম নেতা এই ওয়ার্ডে থাকেন, যিনি ডাবল খুনের অভিযোগে অভিযুক্ত। দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। তিনি মহম্মদ সেলিমকে ধরে সিপিআই(এম)-এ পুনরায় প্রবেশের চেষ্টা করছেন।"


তিনি বলেন যে, 'দলে নিজের সংখ্যা বাড়াতে কণিনীকা ঘোষকে এনে তৃণমূলের একটি দলীয় কার্যালয় দখলের চেষ্টা করেছিলেন তিনি। চারদিকে লাল পতাকা আর হোর্ডিং। প্রতিবাদ করায় আমাদের কয়েকজনকে মারধর ও হামলা করা হয়।'


অপরদিকে সিপিএম নেত্রী কণিনীকা ঘোষ বলেন, “আপনি সাধারণ মানুষকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন এবং দেখতে পারেন কার পার্টি অফিস আগে ছিল। আমরা আমাদের পার্টি অফিস খুলতে এসেছি। তৃণমূল কর্মীরা আমাদের এলাকা কমিটির সম্পাদক বাবিন ব্যানার্জীকে আক্রমণ ও মারধর করে। তৃণমূল বলছে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাহলে মানুষ হাসবে। শান্তনু বাবুও সেখানে চলে আসেন এবং আমাদের কর্মীদের ওপর আবার হামলা হয়।"

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad