সময় মতো পিরিয়ড চক্র সম্পূর্ণ না হওয়া চিন্তার কারণ!
প্রেসকার্ড নিউজ লাইফ স্টাইল ডেস্ক,০২ আগস্ট : অনেক সময় পিরিয়ডের তারিখগুলি পিছিয়ে যায়। তখন চিন্তায় পড়তে হয়। কিন্তু এর পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। তবে যদি প্রতি মাসে পিরিয়ড আসতে দেরি হয়, তাহলে এর কিছু গুরুতর কারণ থাকতে পারে। তখন সময়মতো চিকিৎসা করানো খুবই জরুরি। কারণ এটি কোনো স্বাভাবিক সমস্যা নয়। যদি পিরিয়ড সঠিক সময়ে আসে এবং সঠিকভাবে শেষ হয়, তার মানে সেই মহিলা বা মেয়েটি সুস্থ। যদি কোনও মহিলার সময়মতো পিরিয়ড না হয়, তাহলে তার মানে তিনি অসুস্থ। এমতাবস্থায়, পিরিয়ডের কত দিনের চক্র স্বাভাবিক তা জানা আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ-
অনেক মহিলা আছেন যাদের প্রায়ই পিরিয়ড দেরিতে হয়। এমতাবস্থায় সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ওঠে পিরিয়ড বিলম্বিত হওয়া কি স্বাভাবিক? পিরিয়ডের এক বা দু দিন পিছিয়ে যাওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু বেশী দেরি হওয়াটা স্বাভাবিক নয়।
এটি একটি সাধারণ নয় কিন্তু একটি গুরুতর কারণ হতে পারে। যদি মাসিক ১-২ মাসেরও বেশি সময় ধরে বিলম্বিত হয়, তাহলে অবিলম্বে একজন ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিৎ। কখনও কখনও এটি ডিম্বাশয়ে পিণ্ড বা PCOS এর কারণেও হতে পারে। সাধারণ বিষয় হল পিরিয়ড ২১ থেকে ৩৫ দিনের হয়। যদি চক্রটি ২৮ দিনের হয়, তবে যদি এটি ৩০ তম দিনে না আসে এবং ৪০ তম দিনে পৌঁছয় তবে এটি উদ্বেগের বিষয়।
এছাড়াও যদি নিয়মিত গর্ভনিরোধক বড়ি গ্রহণ করেন, তাহলে এর কারণেও পিরিয়ড হতে দেরি হতে পারে। কারণ জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খেলে প্রোজেস্টিন ও ইস্ট্রোজেন নামের হরমোন নিঃসৃত হয়। যার কারণে ডিম্বাশয় ডিম্বাণু ত্যাগ করে। যদি বড়ি খাওয়া বন্ধ করা হয়, তবে পিরিয়ড চক্র স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে ৬-৭ মাস সময় লাগে। গর্ভনিরোধক বড়িগুলি অতিরিক্ত খাওয়া উচিত নয়।
ওজন বাড়ার কারণে পিরিয়ডস চক্র খারাপ হয়ে যায়। মেদ বাড়ার কারণে হরমোনের পরিবর্তন হয় যার কারণে পিরিয়ডও দেরি হয়। সেজন্য সবসময় সঠিক খাদ্য গ্রহণ করা উচিৎ। কারণ উচ্চ ক্যালোরি শরীর এবং অঙ্গকে প্রভাবিত করতে পারে

No comments:
Post a Comment