দত্তপুকুর বিস্ফোরণ-কাণ্ডে প্রথম গ্ৰেফতার!
নিজস্ব সংবাদদাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, ২৮ আগস্ট: উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে বিস্ফোরণ কাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার এক। এটাই প্রথম গ্রেফতারি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ কাণ্ডে। পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার গভীর রাতে নীলগঞ্জ এলাকা থেকে কেরামত আলীর সহযোগী শফিক আলীকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত শফিক বাজি কারখানার মালিক কেরামত শেখের অংশীদার বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। যদিও কেরামতের সন্ধান এখনও মেলেনি।
উল্লেখ্য, রবিবার সকালে প্রচণ্ড বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার দত্তপুকুর এলাকার মোচপোল গ্ৰাম। এই ঘটনায় ৭ জনের মৃত্যু এবং কমপক্ষে ১০ জনের আহত হওয়ার খবর মিলেছে। বিস্ফোরণের অভিঘাত এতটাই ছিল যে, ক্ষতিগ্ৰস্ত হয় আশেপাশের বাড়িগুলোও। ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যায় মৃতদের শরীরের দেহাংশ। পাশের কারও বাড়ির ছাদে এসে পড়ে কাটা হাত, তো কারও বাড়িতে এসে পড়ে কাটা পা। ঘটনায় রীতিমতো শিউরে উঠেছেন এলাকাবাসী। অভিযোগ, বেআইনি ভাবে চলছিল বাজি কারখানাটি। প্রশাসনকে জানিয়েও কাজ হয়নি। পরিস্থিতির আকস্মিকতা কাটিয়েই স্থানীয়রা বলতে শুরু করেন কেরামতের কাণ্ড।
পুলিশ সূত্রে খবর পূর্ব মেদিনীপুরের এগডরার খাদিকুলে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের পর মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে রাজ্যজুড়ে যখন বেআইনি বাজি কারখানায় তল্লাশি চালায় পুলিশ, তখন অস্ত্র আইনে এই কেরামত কে গ্রেফতার করা হয়েছিল। যদিও পরে যামিনী মুক্তি পায় সে আর তারপরেই শুরু করে বাজির ব্যবসা।
অপরদিকে রবিবারের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কালীঘাটের বাড়িতে ডিজিকে ডেকে পাঠান, সেখানেই ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। কোনও রঙ না দেখেই অপরাধীকে গ্রেফতার করার নির্দেশ দেন বলেই সূত্রে খবর। তারপরেই গ্রেফতার করা হল একজনকে, যার নাম শফিক আলী।
এছাড়াও রাতেই বাজি কারখানার বিস্ফোরণস্থল পরিদর্শনে যান রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।

No comments:
Post a Comment