প্রেসকার্ড নিউজ ন্যাশনাল ডেস্ক, ০৪ অক্টোবর: বন্ধুর সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার যুবতী। গণধর্ষণের অভিযোগ অজ্ঞাত পরিচয় তিন যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের পুনেতে। ২১ বছর বয়সী যুবতীকে গণধর্ষণের অভিযোগ। জানা গিয়েছে, নির্যাতিতা তাঁর বন্ধুর সঙ্গে বেড়াতে গিয়েছিলেন। অভিযোগ, গভীর রাতে নির্জন জায়গায় তিন যুবক তাঁদের পথ আটকায়। এরপর তারা তিনজনই যুবতীর বন্ধুকে মারধর করে এবং তার সামনেই যুবতীকে গণধর্ষণ করে। এরপর সেখান থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। বন্ধু যুবক গভীর রাতে নাবালিকাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
পুলিশের দলও হাসপাতালে পৌঁছে মামলার তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ভোর পাঁচটায় তারা এই গণধর্ষণের খবর পান। যুবতীকে গণধর্ষণকারী তিন অভিযুক্ত কারা ছিল, তা বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। বর্তমানে পুলিশ যুবতীর বন্ধুকে জিজ্ঞাসাবাদ করে গণধর্ষণের রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করছে।
পুনে পুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতা যুবতী এবং তার বন্ধু দুজনেই কলেজ পড়ুয়া। নির্যাতিতা জলগাঁওয়ের বাসিন্দা, আর তার বন্ধু সুরাটের বাসিন্দা। তাঁরা দুজন একই কলেজে পড়ে এবং তাঁরা দুজনেই রাতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। ঠিক তখনই একটা নির্জন জায়গায় তিনজন অজ্ঞাত পরিচয় যুবক তাঁদের ঘিরে ধরে। তারা তিনজনই প্রথমে বন্ধু যুবকটিকে মারধর করে, এরপর যুবতীকছ গণধর্ষণ করে। পুনে পুলিশ ও ক্রাইম ব্রাঞ্চের একাধিক দল অভিযুক্তদের খোঁজ করছে। পুনে এবং আশেপাশের এলাকায়ও অভিযান চালানো হচ্ছে।
পুলিশ জানায়, মেয়েটি তার বন্ধুর সাথে ঘাটে গিয়েছিল, যেখানে বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে তিন অজ্ঞাত অভিযুক্ত তাঁকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। তবে শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পুলিশকে ঘটনাটি জানানো হয়। পুনের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার রঞ্জন কুমার শর্মার মতে, অভিযুক্তের সন্ধান এখনও চলছে এবং অভিযুক্তদের অনুসন্ধান-গ্রেফতারের জন্য ক্রাইম ব্রাঞ্চ ও ডিটেকটিভ ব্রাঞ্চের দশটি দল গঠন করা হয়েছে।
ঘটনার পরে, NCP-SCP-এর কার্যনির্বাহী সভাপতি সুপ্রিয়া সুলে বলেছেন যে, এটি একটি অত্যন্ত ভয়ঙ্কর ঘটনা। গণধর্ষণের এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সুপ্রিয়া সুলে। পুনের ঘটনার পর মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তিনি বলেন, 'মহিলাদের ওপর প্রতিনিয়ত নৃশংসতা চলছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এগুলো ঠেকাতে ব্যর্থ হয়েছে। মহারাষ্ট্র মহিলাদের জন্য নিরাপদ নয়... এটা বলতেই হবে। দোষীদের গ্রেফতার করে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।'


No comments:
Post a Comment