প্রেসকার্ড নিউজ ন্যাশনাল ডেস্ক, ১৭ অক্টোবর : হামাস প্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ারকে সরিয়ে দিয়েছে ইজরায়েল। আইডিএফ জানিয়েছে, গাজায় ইজরায়েলি হামলায় ৩ হামাস সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। তাদের মধ্যে ইয়াহিয়া সিনওয়ারও রয়েছেন। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। সিনওয়ার গত ৭ অক্টোবর ইজরায়েলে সন্ত্রাসী হামলার মূল পরিকল্পনাকারী এবং হামাসের প্রধান।
এর আগে আইডিএফ একটি বিবৃতি জারি করে বলেছিল, গাজায় ৩ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে, ছবি দেখে ধারণা করা হচ্ছে তাদের একজন ইয়াহিয়া সিনওয়ার হতে পারে। ইজরায়েলি সেনাবাহিনী হামলায় নিহত সন্ত্রাসী সিনওয়ার নাকি অন্য কেউ তা শনাক্ত করার চেষ্টা করছে, যদিও ইজরায়েলি সংবাদ মাধ্যম দাবী করছে যে ছবির ভিত্তিতে সিনওয়ারকে খুন করা হয়েছে।
গাজায় আইডিএফ অভিযানের সময় ৩ সন্ত্রাসীকে নির্মূল করা হয়েছে। আইডিএফ এবং আইএসএ সম্ভাব্য সন্ত্রাসীদের মধ্যে একজন ইয়াহিয়া সিনওয়ার ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখছে। এ পর্যায়ে সন্ত্রাসীদের পরিচয় নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।
সিনওয়ারকে আগস্টেই হামাস প্রধান করা হয়, ৩১ জুলাই তেহরানে ইসমাইল হানিয়ার মৃত্যুর পর ইয়াহিয়া সিনওয়ারকে হামাসের প্রধান করা হয়। বৃহস্পতিবার, ইজরায়েলি সেনাবাহিনী সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ পোস্ট করেছে যে ইয়াহিয়া সিনওয়ার গাজায় আইডিএফ অভিযানের সময় নিহত তিন সন্ত্রাসীর একজন হতে পারে।
কয়েকদিন আগে সিনওয়ার সম্পর্কে দাবী করা হয়েছিল যে তিনি ইজরায়েলি বন্দীদের মধ্যে লুকিয়ে ছিলেন, যাতে ইজরায়েল তাকে সহজে টার্গেট করতে না পারে, এর আগেও সিনওয়ার নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও তা নিশ্চিত করতে পারেনি। এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যাচ্ছে, সিনওয়ারের মতো দেখতে এক ব্যক্তিকে কিছু ধ্বংসাবশেষে আটকে থাকতে দেখা যাচ্ছে। ইজরায়েলি হামলায় তার মাথার কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাস দক্ষিণ ইজরায়েলে একটি বড় হামলা চালায়, যাতে প্রায় ১২০০ ইজরায়েলি নিহত হয়। ইজরায়েল জানিয়েছে, হামাসের এই পুরো হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন সিনওয়ার। তার খুন ইজরায়েলের জন্য একটি বিশাল বিজয়।
এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর লেবাননের বৈরুতে বিমান হামলায় হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরাল্লাহকে খুন করে ইজরায়েল। সিনওয়ারের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। এভাবে মাত্র ৩ মাসে ইজরায়েল তার সবচেয়ে বড় ৩ শত্রুকে নিকেশ করেছে।

No comments:
Post a Comment