কালী পুজোর আগেই মিলবে চকচকে ত্বক, ট্রাই করুন ঘরে তৈরি এই ২ ফেস মাস্ক - press card news

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, 25 October 2024

কালী পুজোর আগেই মিলবে চকচকে ত্বক, ট্রাই করুন ঘরে তৈরি এই ২ ফেস মাস্ক


প্রেসকার্ড নিউজ লাইফস্টাইল ডেস্ক, ২৫ অক্টোবর: অক্টোবর আসতেই শুরু হয়ে‌ যায় উৎসবের মরসুম, যা চলে প্রায় ডিসেম্বর পর্যন্ত। নবরাত্রি হোক, করভা চৌথ বা দীপাবলি, সব উৎসবেরই নিজস্ব গুরুত্ব রয়েছে। আর এই উৎসবের সময়, লোকেরা তাদের ঘর সাজানোর পাশাপাশি নতুন জামাকাপড়ও কেনেন, যাতে তারা দেখতে সুন্দর হয়। এছাড়াও এই সময়ে, সবাই চায় তাদের ত্বক সুন্দর এবং উজ্জ্বল হোক। 


বাজারে অনেক ধরনের বিউটি প্রোডাক্ট পাওয়া যায়, তবে ঘরোয়া উপায়গুলো শুধু ত্বকের জন্যই নিরাপদ নয়, এগুলোর ব্যবহার মুখের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতাও বজায় রাখে। ঘরে তৈরি কিছু ফেস মাস্ক উত্সবের মরসুমে উজ্জ্বল ত্বক পেতে ব্যবহার করতে পারেন। তবে,এই সমস্ত মাস্ক ব্যবহার করার আগে, একবার প্যাচ টেস্ট করে নিন, যাতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি না হতে হয়।


হলুদ-বেসন ফেস মাস্ক-

হলুদ ও বেসন প্রায় সব সময়ই সবার বাড়িতে পাওয়া যায়।   এই দুটি জিনিস ব্যবহার করে একটি ফেস মাস্ক প্রস্তুত করতে পারেন। এই ফেস মাস্ক তৈরি করতে দরকার হবে মাত্র ২ চামচ বেসন, ১/৪ চামচ হলুদ, ১ চামচ দই।


মাস্ক প্রস্তুত করতে-

এই সমস্ত জিনিস মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। এটি আপনার মুখে লাগান এবং ১৫-২০ মিনিটের জন্য শুকাতে দিন। এর পর আলতো করে স্ক্রাব করে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই মাস্ক ত্বককে পরিষ্কার ও উজ্জ্বল করে।  সপ্তাহে দু'বার ব্যবহার করতে পারেন। 


লেবু-মধু ফেস মাস্ক 

লেবু ও মধু দিয়ে তৈরি মাস্কও উপকারী। এর জন্য ১ চা চামচ লেবুর রস, ১ চা চামচ মধু নিয়ে একটি পাত্রে মিশিয়ে নিন। ভালো ভাবে মিশিয়ে মুখে লাগান এবং ১৫ মিনিট পর হালকা গরম জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।


লেবু ট্যানিং দূর করে এবং মধু ত্বকে আর্দ্রতা যোগায়, যা মুখ উজ্জ্বল করে। শুধু মনে রাখবেন লেবু সবার ত্বকে সয় না। এমন পরিস্থিতিতে এটি ব্যবহারের আগে একবার প্যাচ টেস্ট করে নিন, যাতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার আশঙ্কা না থাকে। 





বি.দ্র: এই প্রতিবেদনে দেওয়া তথ্য সাধারণ তথ্যের ওপর ভিত্তি করে। পাঠকের তথ্য ও সচেতনতা বাড়াতেই এই প্রতিবেদন। প্রেসকার্ড নিউজ এখানে দেওয়া তথ্যের বিষয়ে কোনও দাবী করে না বা কোনও দায়িত্ব নেয় না।  ত্বক সম্পর্কিত আরও তথ্যের জন্য সর্বদা একজন বিশেষজ্ঞ বা আপনার ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad