পৃথিবীতে ভূত আছে কি নেই, তা নিয়ে বহুদিন ধরেই বিতর্ক চলছে। কেউ কেউ ভূতের অস্তিত্ব স্বীকার করেন আবার কেউ অস্বীকার করেন। অনেকে বলেন ভূত বলে কিছু নেই। যদিও অনেকে লোকেরা তাদের অস্তিত্বকে অস্বীকার করে না। সোশ্যাল মিডিয়ায়, ৩৯ বছর বয়সী থমাস সোয়ালো একই রকম একটি ছবি ক্লিক করেছিলেন, যেখানে তিনি ভূতকে বন্দী করার দাবি করেছেন। লোকটি বলেছেন যে যখন তিনি তার বন্ধুদের সঙ্গে হাইকিং করতে গিয়েছিলেন, তখন তিনি এই ছবিটি দেখেছিলেন আকাশে, যা তিনি সঙ্গে সঙ্গে ক্যামেরায় বন্দী করেন।
ম্যানচেস্টারের বাসিন্দা থমাস জানান, আরোহণের সময় তার চোখ পড়ে এই চিত্রটির ওপর। একটি ছায়া আকাশে ভাসতে দেখা গেল। যাইহোক, এটি আধ্যাত্মিক দেখাছিল। এই মুহূর্তটি থমাসের জন্য খুবই অদ্ভুত ছিল। তিনিও বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। সে আকাশে অস্তগামী সূর্যের দিকে আরামে তাকিয়ে ছিল যে হঠাৎ সে এই দৃশ্য দেখতে পেল।
মেঘের আড়াল থেকে ভূত এলো
টমাসের মতে, আকাশে হালকা মেঘ ছিল। সূর্যের আলোও ছিল। হঠাৎ মেঘলা আবহাওয়ায় আকাশে ছায়া দেখতে পেলেন। প্রথমে তিনি ভয় পেয়েছিলেন। এরপর তিনি মোবাইলটি বের করে সেটির ছবিতে ক্লিক করেন। আজকের আগে সে এমন কিছু দেখেনি।ঘটনার সময় টমাসের সঙ্গে তার বন্ধু ম্যাক্সওয়েল এবং ম্যাথিউ বাক ছিলেন। ছয় ঘণ্টা আরোহণের পর তিনজনই উচ্চতায় পৌঁছেছিলেন।
তিনজন দাঁড়িয়ে প্রায় ১৫ মিনিট ধরে এই মুহূর্তটি দেখেছিল। এর পর তিনি এর অনেক ছবি ক্লিক করেন। তবে এসব ছবির রহস্য উদঘাটন করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেন, এটা কোনো ভূতের ছায়া নয়। আসলে এটি ব্রোকেন স্পেকট্রা নামে একটি বিরল অপটিক্যাল ইলিউশন। এতে আকাশে বা মেঘে মানুষের ছায়া অনেক বড় দেখা যায়। টমাস যাকে ভূত ভেবেছিলেন তা আসলে তার ছায়া।

No comments:
Post a Comment