গত কয়েক বছরে, চেক বাউন্সের ঘটনা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। চেক বাউন্সের ক্ষেত্রে কঠোরতা দেখিয়ে সুপ্রিম কোর্ট বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের সুপারিশের বিষয়ে মোদী সরকার, রাজ্য সরকার এবং হাইকোর্টের কাছে উত্তর চেয়েছে। উল্লেখ্য, দেশে চেক বাউন্সের ক্রমবর্ধমান মামলা মোকাবেলা করার জন্য, একটি কমিটি সুপারিশ করেছিল যে, এই ধরনের মামলার বিচারের জন্য বিশেষ আদালত গঠন করা উচিৎ। পাশাপাশি এই মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য অবসরপ্রাপ্ত বিচারকদেরও নিয়োগ দিতে হবে।
গত কয়েক দিনে, দেশে চেক বাউন্সের ঘটনা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে এসব বিষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির পরামর্শে সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীয় সরকার, রাজ্য সরকার এবং হাইকোর্টের কাছে তাদের পরামর্শ চেয়েছে।
কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে এ কাজ নিষ্পত্তিতে মোট ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ১২৭ কোটি টাকা। পাশাপাশি এ কাজে মোট ১৮২৬ জন আধিকারিক ও বিচারক নিয়োগ করতে হবে। উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন আদালতে মোট ৪৪ লাখ চেক বাউন্সের মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
সারা দেশে বিভিন্ন আদালতে প্রায় ৪৪ লক্ষ চেক বাউন্স মামলা বিচারাধীন রয়েছে। বেশিরভাগ মামলাই মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, গুজরাট, দিল্লী এবং উত্তরপ্রদেশে বিচারাধীন। জি বিজনেসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় ৫.৬০ লক্ষ মহারাষ্ট্রে মুলতুবি রয়েছে। পাশাপাশি, রাজস্থানে ৪.৭৯ লক্ষ, গুজরাটে ৪.৩৭ লক্ষ, দিল্লীতে ৪.০৮ লক্ষ এবং উত্তর প্রদেশে প্রায় ২.৬৬ লক্ষ চেক বাউন্স মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এই সমস্ত পরিসংখ্যান ১৩ এপ্রিল ২০২২ পর্যন্ত। এমতাবস্থায় এই মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করতে সর্বোচ্চ আদালত কঠোর পদক্ষেপ করতে চায়।
প্রসঙ্গত, আপনার অ্যাকাউন্টে টাকা না থাকলেও, আপনি যদি কাউকে চেক দিয়ে থাকেন, তবে তা বাউন্স হয়ে যায়। এমতাবস্থায় চেক প্রদানকারীকে সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড বা চেকে প্রদত্ত অর্থের দ্বিগুণ অর্থ প্রদান করতে হতে পারে।

No comments:
Post a Comment