বাংলায় কংগ্রেস খেল বড় ধাক্কা! একমাত্র বিধায়ক চলে গেল তৃণমূলে
নিজস্ব প্রতিবেদন, ২৯ মে, কলকাতা : লোকসভা নির্বাচনের আগে পাটনায় বিরোধী দলগুলির বৈঠকে বাংলায় কংগ্রেসকে ধাক্কা দিয়েছে তৃণমূল। পশ্চিমবঙ্গের একমাত্র কংগ্রেস বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা ধরে বায়রন বিশ্বাস তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদানের ঘোষণা দেন।
বায়রন বিশ্বাস সম্প্রতি সাগরদিঘি বিধানসভা উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছেন। কংগ্রেসের জয়কে তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য বড় পরাজয় বলে মনে করা হয়েছিল।
তৃণমূল কংগ্রেস তার ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে ঘোষণা করেছে যে বায়রন বিশ্বাস তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে বলা হয়েছে যে বায়রন বিশ্বাস টিএমসি-এ যোগদান বিঘ্নকারী শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহায্য করবে।
বায়রনের যোগদানের ফলে বিধানসভায় কংগ্রেস বিধায়কের সংখ্যা শূন্য
সাগরদিঘি নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হয় ২ মার্চ। তারপর ৯০ দিনও কাটল না বায়রন তৃণমূলে যোগ দিলেন। তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নবজোয়ার অনুষ্ঠানে বায়রন বিশ্বাস টিএমসির পতাকা ধরেছিলেন। এর জেরে আবার বিধানসভায় কংগ্রেস বিধায়কের সংখ্যা শূন্য হয়ে গেল।
নির্বাচনের পরেই তিনি কতদিন কংগ্রেসে থাকবেন তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল। ফল ঘোষণার দিন তাকে এ প্রশ্ন করা হয়। ভোটে জেতার পর বায়রন বলেছিলেন, “তৃণমূল আমাকে কিনতে পারবে না। আমি তৃণমূল কিনব।" কিন্তু আজ তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।
বায়রন কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পর প্রদীপ ভট্টাচার্য টিএমসিকে নিশানা করেছেন
আসলে, বাংলার রাজনীতিতে দলত্যাগ নতুন কিছু নয়। অন্তত আটজন বিজেপি বিধায়ক বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।কিন্তু সংখ্যালঘু অধ্যুষিত সাগরদিঘিতে বাম-কংগ্রেস জোট হওয়ায় বায়রনের জয়ের অন্য অর্থ ছিল। প্রার্থী হিসেবে বাংলার রাজনীতিতে মাইলফলক।
প্রাক্তন রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি এবং রাজ্যসভার সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য বলেছেন, " বায়রন চলে যাওয়ার ভয় ছিল। তৃণমূল আগেও এই কাজ করেছে। এমন বিশ্বাসঘাতকতা অন্যায়। মূল্য দিতে হবে তৃণমূল কংগ্রেসকে। এটা না করলেই ভালো হতো। এটা জোটের ধর্মবিরোধী।"


No comments:
Post a Comment