আর্থ্রাইটিসের রোগীদের খাদ্যতালিকায় অবশ্যই রাখা উচিৎ এই ৪ খাবার, মিলবে উপকার
প্রেসকার্ড নিউজ লাইফস্টাইল ডেস্ক, ১৩ অক্টোবর: আর্থ্রাইটিস এমন একটি অবস্থা যেখানে একজন ব্যক্তিকে জয়েন্টগুলোতে প্রচণ্ড ব্যথা এবং ফোলাভাবের সম্মুখীন হতে হয়। কখনও কখনও ব্যথা এত তীব্র হয় যে, দৈনন্দিন কাজকর্মও প্রভাবিত হতে শুরু করে। এমন পরিস্থিতিতে খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন বাতের রোগীদের স্বস্তি দিতে পারে। আর্থ্রাইটিস রোগীদের খাদ্যতালিকায় কিছু বিশেষ জিনিস অন্তর্ভুক্ত করা উচিৎ, যা এই রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করতে পারে। আসুন জেনে নিই এমন ৪টি খাবার সম্পর্কে যা বাতের রোগীদের তাদের ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করা উচিৎ। এগুলো এই রোগ থেকে মুক্তি দিতে পারে। যেমন-
চর্বিযুক্ত মাছ
আর্থ্রাইটিসের রোগীদের ফ্যাটি মাছ খাওয়া উচিৎ কারণ এতে ওমেগা -৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, যা জয়েন্টের ব্যথা এবং ফোলা কমাতে সাহায্য করে। চর্বিযুক্ত মাছ যেমন স্যামন, ম্যাকেরেল, সার্ডিন, হেরিং, ট্রাউট ইত্যাদি। এতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ পাওয়া যায়, যা প্রদাহরোধী গুণে পরিপূর্ণ। এটি শরীরের ফোলাভাব কমায় এবং জয়েন্টের ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। তাই বাতের রোগীদের সপ্তাহে অন্তত দুবার মাছ খাওয়া উচিৎ।
রসুন
রসুনে অনেক পুষ্টিগুণ পাওয়া যায়, যা আর্থ্রাইটিস রোগীদের জন্য উপকারী হতে পারে। রসুনে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ফাঙ্গাল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই বৈশিষ্ট্যগুলি শরীরে প্রদাহ কমাতে এবং আর্থ্রাইটিসের লক্ষণগুলি কমাতে সাহায্য করতে পারে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে, রসুন, আদা এবং হলুদের ব্যবহার বাতের প্রদাহ এবং ব্যথা কমাতে কার্যকর হতে পারে। তাই বাতের রোগীদের নিয়মিত রসুন খাওয়া উচিৎ। এটি তাদের অবস্থার উন্নতিতে সহায়ক হতে পারে।
আখরোট
আর্থ্রাইটিস রোগীদের খাদ্যতালিকায় আখরোট অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। আখরোটে এমন অনেক পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়, যা আর্থ্রাইটিস থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করতে পারে। আখরোটে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া যায়। এটি শরীরে প্রদাহ কমাতে কাজ করে। এছাড়াও, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ই এবং সেলেনিয়ামের মতো খনিজগুলিও আখরোটে পাওয়া যায়, যা জয়েন্টগুলিকে মজবুত রাখতে সাহায্য করে।
ব্রকলি
আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের খাদ্যতালিকায় ব্রকলি অন্তর্ভুক্ত করা উচিৎ। ব্রকলিতে অনেক পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়, যা আর্থ্রাইটিসের চিকিৎসায় সহায়ক প্রমাণিত হতে পারে। ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং জিঙ্কের মতো পুষ্টি উপাদান ব্রকলিতে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। এই সমস্ত উপাদান জয়েন্টের হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে।
বি.দ্র: নতুন যে কোনও কিছু শুরুর আগে চিকিৎসকের পরামর্শ অবশ্যই নিন।

No comments:
Post a Comment