প্রেসকার্ড নিউজ ন্যাশনাল ডেস্ক, ১৭ অক্টোবর : উত্তরপ্রদেশের বাহরাইচ ঘটনার অভিযুক্ত মহম্মদ সরফরাজ এবং মহম্মদ তালিম বৃহস্পতিবার উত্তরপ্রদেশের পুলিশের সাথে সংঘর্ষে আহত হয়েছেন। এই এনকাউন্টার নিয়ে রাজনীতিও তুঙ্গে। এআইএমআইএম প্রধান আসাদুদ্দিন ওয়াইসি বলেছেন যে সবাই যোগী আদিত্যনাথের 'ঠোক দেঙ্গে' নীতি সম্পর্কে জানেন।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এমনটাই জানিয়েছেন হায়দরাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি যোগীর “ঠোক দেঙ্গে” নীতির কথা সবাই জানেন। পুলিশের কাছে এত প্রমাণ থাকলে অভিযুক্তদের আইনি শাস্তি দেওয়ার চেষ্টা করা যেত।
এই এনকাউন্টারটি করেছে বাহরাইচ জেলার পুলিশ। অভিযুক্ত দুজনই আব্দুল হামিদের ছেলে, যাদের ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, একজনের ডান পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছে, অন্যজন বাম পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। উল্লেখ্য, অপরাধ করার পর সরফরাজ নেপালে পালানোর পরিকল্পনা করছিলেন।
সংবাদ মাধ্যমের সাথে আলাপকালে, বাহরাইচের এসপি বৃন্দা শুক্লা এনকাউন্টারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন যে এই মামলায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি বলেন, "পুলিশের গুলিতে দুজন আহত হয়েছেন। আমি তাদের অবস্থা মূল্যায়ন করতে এসেছি। আহতদের একজন মহম্মদ সরফরাজ, অপরজন মহাম্মদ তালিব।"
এর আগে রবিবার, বাহরাইচে দুর্গা পুজোর প্রতিমা বিসর্জনের মিছিলের সময় সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ ২২ বছর বয়সী যুবক মারা যায়। মৃতের নাম রাম গোপাল মিশ্র। এ ছাড়া পাথর ছোড়া ও গুলিতে আহত হয়েছেন আরও ছয়জন।
বুধবার, উত্তরপ্রদেশ পুলিশ মামলার আরেক অভিযুক্ত দানিশকে রাজি মোড় থেকে গ্রেপ্তার করেছে। দানিশ ওরফে রাজা ওরফে সাহির ছিলেন মামলার চতুর্থ অভিযুক্ত এবং নেপালে পালানোর চেষ্টাকালে ধরা পড়েন।

No comments:
Post a Comment