প্রদীপ ভট্টাচার্য, কলকাতা, ৩ অক্টোবর: কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর সঙ্গে মতবিরোধ হতেই পারে। বাঁধতে পারে ঝগড়া, দ্বন্দ্ব। এই সমস্যা এড়াতে অনেকেই মত প্রকাশ থেকেই বিরত থাকতে চান। তবে এটা ঠিক যে, আলোচনায় সুচিন্তিত মতামত নিয়ে বিশ্লেষণমূলক তর্ক ফলপ্রসূতা বাড়ায়। তবে সব তর্ক ইতিবাচক হয় না, এটি মোর যায় নিতে পারে ঝগড়ার দিকেও। তবে এই অবস্থায় দ্রুত সেই বিতর্কের শেষ করতে হবে।
কিভাবে সেই বিতর্কের শেষ করতে হবে তা জানানো হলো।
কথা কম: বিতর্ক শুরুতেই দমিয়ে দেওয়ার প্রাথমিক চিকিৎসা হলো কথা কম বলা। খুব কম কথায় নিজের যুক্তিকে উপস্থাপন করতে হবে। এড়িয়ে যেতে হবে বিস্তারিত ব্যাখ্যা। কারণ, যত বেশি কথা বলা হবে, বিপরীত ব্যক্তি ততই তর্ক বাড়াতে উৎসাহ পাবে।
মেজাজ রাশে রাখা: কর্মক্ষেত্রে বিতর্কের উদ্দেশ্য হলো ভালো সিদ্ধান্তটা বের করে আনা। তাই এই বিতর্কে মেজাজ হারিয়ে চিৎকার করা ঠিক নয়। বিতর্ক হতে হবে স্বাস্থ্যকর। শান্তভাবে বক্তব্যকে অপরের কাছে বোঝানোই হবে প্রকৃত পেশাজীবীর পরিচয়।
উদ্ধত আচরণ দূরে রাখা: নিজেই ঠিক, অন্যরা ভুল বা নিজেই দক্ষ, অন্যরা অদক্ষ। এমন মানসিকতার সদস্য প্রতিষ্ঠানের জন্য ভয়ংকর। যে কোনও সমস্যায় অপরজনের কথা আগে শুনতে হবে। পরে যুক্তি দিয়ে তা মোকাবিলা করতে হবে।
স্থায়ী সমাধান: মতবিরোধ ঘটলে সাময়িক দমিয়ে রাখার জন্য নেওয়া পদক্ষেপে সমাধান হয় না। বরং এর ফলে দু পক্ষের মধ্যেই চাপা ক্ষোভ রয়ে যায়। যা ভবিষ্যতে ভালো নাও হতে পারে। তাই এমন সমাধানে পৌঁছাতে হবে যা দুপক্ষের জন্যই সুবিধাজনক। তাহলেই হবে এর স্থায়ী সমাধান।
এছাড়া মতবিরোধের সমাধান হওয়ার পর বিবাদ ভুলে গিয়ে দুপক্ষের মধ্যে স্বাস্থ্যকর কর্মীসুলভ সম্পর্ক ধরে রাখতে হবে।
'সুযোগ পেলেই এক হাত দেখে নেব' এমন ক্ষোভ পুষে রাখা চলবে না।
সবশেষে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হলো এবিষয় নিয়ে তৃতীয় কোনও পক্ষের সঙ্গে গাল গল্প কিংবা কানভারী করা থেকে দূরে থাকতে হবে।

No comments:
Post a Comment