দেশে ক্রমাগত ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতিতে সবাই আতঙ্কিত। বিশেষ করে গ্যাস সিলিন্ডারের দাম আকাশ ছোঁয়া। সম্প্রতি, ঘরোয়া গ্যাস সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে ৫০ টাকা। এমন পরিস্থিতিতে এই বাড়তি দামের প্রভাব পড়েছে জনগণের পকেটে।
সেই সঙ্গে বাড়ির রান্নাঘরের বাজেটও একেবারে নষ্ট হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে আজকে আপনি জানাবেন কিছু সহজ টিপস। যার সাহায্যে আপনি আরও ১০ দিন আপনার এলপিজি চালাতে পারবেন। এতে আপনার বাজেট নষ্ট হবে না এবং এলপিজি গ্যাসও সাশ্রয় হবে।
গ্যাস বাঁচানোর ১০টি উপায়
ভেজা পাত্র ব্যবহার করা উচিৎ নয়। চুলায় রাখার আগে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে নিতে পারেন। যাতে পাত্র শুকাতে বেশি গ্যাস ব্যবহার না হয়।
অনেক সময় দেখা যায় আগে থেকেই গ্যাস চালু করে প্যান লাগিয়ে পরে রান্নার জিনিস সংগ্রহ করা হয়। সেজন্য সব জিনিসপত্র সঙ্গে রাখা এবং তারপর গ্যাস চালু করে খাবার রান্না করা জরুরি।
ফ্রিজ থেকে দুধ বের করার সঙ্গে সঙ্গেই গ্যাসের চুলায় দুধ রাখা উচিৎ নয়। এটিকে বাইরে রেখে কিছুক্ষণ স্বাভাবিক করে নিতে হবে, তারপর গরম করতে হবে। এতে গ্যাসও সাশ্রয় হয়।
খাবার প্রায়ই ঢাকনা দিয়ে রান্না করা উচিৎ, কারণ খোলা রেখে খাবার রান্না করলে গ্যাস বেশি খরচ হয়।
প্রেসার কুকার ব্যবহার করা উচিৎ, কারণ অনেক জরিপে এটাও প্রকাশ পেয়েছে যে প্রেসার কুকিং দিয়ে ভাত রান্না করলে ২০% রান্নার গ্যাস সাশ্রয় করা যায়, সাধারণ পাত্রের তুলনায়।
কেউ যদি গরম জল বা চা পান করেন তাহলে একবার সিদ্ধ করে থার্মসে রেখে দিন যাতে বারবার ফুটাতে না হয়।
আপনার গ্যাস, রেগুলেটর এবং পাইপ প্রতি মাসে বা সময়ে সময়ে পরীক্ষা করা উচিৎ। এতে গ্যাসও সাশ্রয় হয়।
ক্ষতিগ্রস্ত বা পোড়া পাত্রে খাবার রান্না করতে বেশি সময় লাগে। তাই নিয়মিত পাত্র পরিষ্কার করুন।
যেকোনো কিছু রান্না করার সময় পাত্র অনুযায়ী আগুন রাখুন। পাত্রটি ছোট হলে জ্বাল কম রাখুন।
গ্যাসের রং যদি হলুদ, লাল-কমলা হয়, তাহলে আপনার গ্যাসের পাইপ, নল ও জাল পরিষ্কার রাখুন। কারণ পরিষ্কার না হলে দ্রুত গ্যাস শেষ হয়ে যায়।

No comments:
Post a Comment