যৌতুক নিয়ে অশান্তি-বচসার জেরে ভয়ঙ্কর কাণ্ড, ব্লেড দিয়ে স্ত্রীর নাক কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠল মদ্যপ স্বামীর বিরুদ্ধে। এরপরেই ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় তিনি। আহত স্ত্রী থানায় পৌঁছে থানায় অভিযোগপত্র দেন। তার অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় দায়ের মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত স্বামীর খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের বারাবাঙ্কি জেলার।
মুখ্যমন্ত্রীর যৌথ বিবাহ প্রকল্পের অধীনে ২০১৯ সালে মহিলার বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের এক বছর পর থেকে মদ্যপ অবস্থায় স্বামী প্রতিদিন তার ওপর অত্যাচার করত বলে অভিযোগ। এদিন অমানবিকতার সব সীমা অতিক্রম করে তিনি, স্ত্রীয়ের নাক কেটে দিয়েছেন বলে অভিযোগ।অভিযুক্ত স্বামীর নাম প্রদীপ।
মহিলার অভিযোগ, বিয়ের এক বছর পর থেকেই তার স্বামী তাকে নিয়মিত মারধর করত এবং যৌতুকের জন্যও তার ওপর অত্যাচার করত। পুলিশ একটি এফআইআর নথিভুক্ত করেছে এবং অভিযুক্তকে খুঁজছে।
বারাবাঙ্কি জেলার রামসনেহিঘাট কোতোয়ালি এলাকার হাথৌধা গ্রামের বাসিন্দা প্রদীপ, মুখ্যমন্ত্রীর গণবিবাহ প্রকল্পের অধীনে ২০১৯ সালে জেলার দরিয়াবাদ কোতোয়ালি এলাকার ওই মহিলার সঙ্গে তার বিয়ে হয়েছিল। জানা গেছে, বিয়ের এক বছর থেকেই যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে নির্যাতন ও মারধর করত স্বামী। এসময় স্বামী দিল্লীতে থাকতেন। দিল্লী থেকে আসার পর স্বামী তার স্ত্রীর বাড়িতে পৌঁছে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসার কথা বলছিল। স্ত্রীর বারবার অস্বীকার করায় তিনি অত্যন্ত ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রী সহ উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে মারামারি করতে থাকেন, বলেন অভিযোগ।
স্ত্রীর অভিযোগ, তার স্বামী যখন তার বাড়িতে আসত, তখন সেখানকার লোকের সঙ্গে ঝগড়া করত এবং বাড়িতে নিয়ে গিয়ে বারবার তাকে মারধর করত। ওই মহিলার কথায়, 'ঝগড়ার সময় সুযোগ পেয়ে স্বামী ব্লেড দিয়ে আমার নাক কেটে ফেলে এবং ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।'
আহত স্ত্রী থানায় পৌঁছে থানায় অভিযোগপত্র দেন। তার অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ এফআইআর দায়ের করেছে। পুলিশ বলছে যত দ্রুত সম্ভব অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হবে।

No comments:
Post a Comment