কিমের ৩০০০ সৈন্য ঢের করেছে ইউক্রেন, রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মাঝেই বড় দাবী জেলেনেস্কির - press card news

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, 25 December 2024

কিমের ৩০০০ সৈন্য ঢের করেছে ইউক্রেন, রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মাঝেই বড় দাবী জেলেনেস্কির


প্রেসকার্ড নিউজ ওয়ার্ল্ড ডেস্ক, ২৫ ডিসেম্বর: রাশিয়ার সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যেই বড় দাবী করলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। ২৩ ডিসেম্বর জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়, রাশিয়ার কুরস্ক এলাকায় রুশ সেনাবাহিনীর পক্ষে যুদ্ধরত উত্তর কোরিয়ার ৩ হাজারেরও বেশি সেনা হয় মারা গেছে বা আহত হয়েছে। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়া আগস্টের শুরু থেকে উত্তর কোরিয়ার প্রায় ১২,০০০ সৈন্যকে ইউক্রেনে পাঠিয়েছে।


রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক সহযোগিতা নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জেলেনস্কি। তিনি বলেন, এর ফলে আধুনিক যুদ্ধ প্রযুক্তি ও সামরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় হতে পারে। তিনি সতর্ক করেছেন যে, উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার মধ্যে এই সহযোগিতার ফলে অতিরিক্ত সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ হতে পারে। এর পরিণাম স্বরূপ ইউক্রেনকে কঠোর প্রতিক্রিয়া দেওয়ার আবশ্যকতা হবে।


জেলেনস্কি আরও বলেন যে, উত্তর কোরিয়ার সাথে রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান অংশীদারিত্ব কেবল কিরেনিয়ান সীমান্তে নয়, পুরো কোরীয় উপদ্বীপ এবং সংলগ্ন অঞ্চল জুড়ে অস্থিতিশীলতার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। নিহত উত্তর কোরিয়ার সৈন্যের সংখ্যা সম্পর্কিত তথ্য উল্লেখ করে জেলেনস্কি বলেছেন যে, তাঁর মূল্যায়ন ইউক্রেনীয় গোয়েন্দাদের দ্বারা সংগৃহীত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে।  


জেলেনস্কি এক্স-এ লিখেছেন যে "প্রাথমিক তথ্য অনুসারে, কুরস্ক অঞ্চলে উত্তর কোরিয়ার সৈন্য নিহত ও আহতের সংখ্যা ইতিমধ্যে ৩,০০০ ছাড়িয়ে গেছে"।



উল্লেখ্য, দক্ষিণ কোরিয়ার এমপি লি সুং-কন ১৯ ডিসেম্বর একটি বিবৃতি জারি করে বলেছিলেন যে, ১০০টিরও বেশি উত্তর কোরিয়ার সৈন্য মারা গিয়েছে এবং প্রায় ১০০০ আহত হয়েছেন।


এই আবহে, মঙ্গলবার একটি রাশিয়ান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইউক্রেনের ক্রাইভি রিহ শহরের একটি আবাসিক ভবনকে নিশানা, যাতে অন্তত একজন নিহত হয়েছে। স্থানীয় আধিকারিকরা এ তথ্য জানিয়েছেন। গভর্নর সেরহি লাইসাক বলেছেন, হামলায় আরও অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন এবং চারতলা ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও বেশি লোক আটকে থাকতে পারেন।


সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা গেছে যে, ভবনটির একপাশ প্রায় সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে। ২৫ ডিসেম্বরে ইউক্রেন আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয়বারের মতো বড়দিন উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন সময় এই হামলার ঘটনা।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad